ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন মন্ত্রীসভা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাত্রা শুরু গাজীপুরে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়া শক্তিশালী তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি কাপাসিয়ায় লেখক সম্মেলন, জাতীয় সেমিনার, গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত  “নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার বিষয়ক জনসচেতনতামুলক প্রচারণা কর্মসুচি” সম্পন্ন লেবার পার্টির দলীয় মনোনয়ন পেলেন শাহ মাছুম ফারুকী জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে বাগমারায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিন দ্বীপে যেতে সরকারের দেওয়া ১২ নির্দেশনা মানতে হবে  ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্র ফোরামের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর

নাজমুল আহসান কলিমউল্লা গ্রেপ্তার

অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

 অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য ছিলেন। গত ১৮ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

  মামলার আসামিরা হলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, তার উত্তরসূরি বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, দুই ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু এবং এমএম হাবিবুর রহমান।  

উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন একটি মামলায় দুদকের রিকোজিশন ছিল। সেটির ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে পরিচালনার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরে নিজ বাসা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের কাছে তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

 

মামলার এজাহারে বলা হয়, উল্লেখিত ৫ জন  আসামি পরস্পর যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি না মেনে নকশা পরিবর্তন করেনে, ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি করেন মন্ত্রণালয়ের কোনো অনুমোদন ছাড়াই। সেই সাথে ঠিকাদারের রানিং বিল থেকে কেটে রাখা নিরাপত্তা জামানতকে এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা এবং এফডিআর লিয়েনে রেখে ঠিকাদারকে লোন দেওয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন দিয়ে সরকারের ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন মন্ত্রীসভা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাত্রা শুরু

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর

নাজমুল আহসান কলিমউল্লা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

 অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য ছিলেন। গত ১৮ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

  মামলার আসামিরা হলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, তার উত্তরসূরি বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, দুই ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু এবং এমএম হাবিবুর রহমান।  

উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন একটি মামলায় দুদকের রিকোজিশন ছিল। সেটির ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে পরিচালনার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরে নিজ বাসা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের কাছে তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

 

মামলার এজাহারে বলা হয়, উল্লেখিত ৫ জন  আসামি পরস্পর যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি না মেনে নকশা পরিবর্তন করেনে, ৩০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের চুক্তি করেন মন্ত্রণালয়ের কোনো অনুমোদন ছাড়াই। সেই সাথে ঠিকাদারের রানিং বিল থেকে কেটে রাখা নিরাপত্তা জামানতকে এফডিআর হিসেবে ব্যাংকে জমা এবং এফডিআর লিয়েনে রেখে ঠিকাদারকে লোন দেওয়ার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ অনুমোদন দিয়ে সরকারের ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তারা।