ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন মন্ত্রীসভা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাত্রা শুরু গাজীপুরে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় গণদোয়া শক্তিশালী তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি কাপাসিয়ায় লেখক সম্মেলন, জাতীয় সেমিনার, গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত  “নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার বিষয়ক জনসচেতনতামুলক প্রচারণা কর্মসুচি” সম্পন্ন লেবার পার্টির দলীয় মনোনয়ন পেলেন শাহ মাছুম ফারুকী জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে বাগমারায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিন দ্বীপে যেতে সরকারের দেওয়া ১২ নির্দেশনা মানতে হবে  ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্র ফোরামের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভেঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আহত

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভেঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আহত

নওগাঁর নিয়ামতপুর বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬) নামের দুই শিক্ষিকা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। দুই শিক্ষিকা বর্তমানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন। ঘটনাটি বুধবার দুপুরে  উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।

 

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী। বারবার নতুন ভবনের চাহিদা দিলেও এখন পর্যন্ত পর্যন্ত আশার আলো দেখেনি প্রতিষ্ঠানটি।

 

আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, অফিস কক্ষে শিক্ষকরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি পলেস্তারা আমার শরীরের ওপর পড়ে। এতে আমিসহ রশিদা ম্যাডাম আহত হয়। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে।

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন থেকেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরেজমিনেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোন কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।

 

তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।  ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো ও কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন মন্ত্রীসভা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাত্রা শুরু

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভেঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আহত

আপডেট সময় ১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

নওগাঁর নিয়ামতপুর বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬) নামের দুই শিক্ষিকা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। দুই শিক্ষিকা বর্তমানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন। ঘটনাটি বুধবার দুপুরে  উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।

 

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী। বারবার নতুন ভবনের চাহিদা দিলেও এখন পর্যন্ত পর্যন্ত আশার আলো দেখেনি প্রতিষ্ঠানটি।

 

আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, অফিস কক্ষে শিক্ষকরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি পলেস্তারা আমার শরীরের ওপর পড়ে। এতে আমিসহ রশিদা ম্যাডাম আহত হয়। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে।

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন থেকেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরেজমিনেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোন কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।

 

তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।  ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো ও কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।